
আবু কোরাইশ আপেল:
কুমিল্লা-১ (দাউদকান্দি-মেঘনা) আসনে বিএনপির মনোনীত প্রার্থী, দলের জাতীয় স্থায়ী কমিটির সদস্য, সাবেক মন্ত্রী ও বীর মুক্তিযোদ্ধা ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেনের পক্ষে দাউদকান্দিতে অনুষ্ঠিত হয়েছে স্মরণকালের বৃহত্তম গণমিছিল ও সমাবেশ। এ গণমিছিল ছিল তার প্রথম নির্বাচনী প্রচারণা। গনমিছিল ও সমাবেশে অংশ নিয়েছে স্থানীয় বিএনপিসহ অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের হাজারও নেতা-কর্মী।
রবিবার (১৬ নভেম্বর) দুপুরে উপজেলা সদরের শহীদ রিফাত পার্ক থেকে বিশাল এই গণমিছিল শুরু হয়। মিছিলটি পৌরসভার ঢাকা-চট্রগ্রাম মহাসড়ক প্রদক্ষিণ করে বিশ্বরোড ঈদগাঁ মাঠে গিয়ে সমবেত হয়। পুরো পথজুড়ে ব্যানার, ফেস্টুন, স্লোগানে মুখর ছিল এলাকাবাসী ও দলের কর্মী-সমর্থকরা। বিভিন্ন যানবাহনে করে নেতাকর্মীরা মিছিলসহ সভাস্থলে এসে সমবেত হলে পুরো এলাকা জনসমুদ্রে পরিণত হয়। পৌর বিএনপির আহবায়ক নূর মোহাম্মদ সেলিমের সভাপতিত্বে সমাবেশে প্রধান বক্তা বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য ও সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী ড. খন্দকার মারুফ হোসেন তার স্বাগত বক্তব্যে বলেন গত ৫৪ বছরের ইতিহাসে সর্বোচ্চ ভোট পেয়ে আগামী দিনে ধানের শীষ প্রতীককে নির্বাচিত হবেন ড.খন্দকার মোশাররফ হোসেন।
প্রধান অতিথি ড.খন্দকার মোশাররফ হোসেন তার বক্তব্যে বলেন, একটি দল পিআর পদ্ধতির নির্বাচনের কথা বলে আগামী নির্বাচন বানচালের চেষ্টা করছে। বিএনপি গত ১৭ বছর জনগনের ভোটের অধিকার প্রতিষ্টার জন্য সংগ্রাম করেছে। তিনি আগামী নির্বাচনে ধানের শীষে ভোট দিয়ে জয়যুক্ত করার জন্য সবার প্রতি আহবান জানান।
বিশেষ অতিথি হিসেবে গণমিছিল ও সমাবেশে অংশ গ্রহন করেন কুমিল্লা উত্তর জেলা বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম আহবায়ক আবুল হাশেম সরকার উপজেলা বিএনপির আহবায়ক এম এ লতিফ ভূইয়া, যুম্ম আহবায়ক জসিম উদ্দিন, পৌর বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম আহবায়ক সওগাদ চৌধুরী পিটার।
সমাবেশ পরিচালনা করেন উপজেলা বিএনপির সদস্য সচিব ভিপি জাহাঙ্গীর আলম ও পৌর বিএনপির সদস্য সচিব কাউসার আলম সরকার।
এ সময় জেলা ও উপজেলা পর্যায়ের দলীয় শীর্ষ নেতৃবৃন্দ ছাড়াও ১৫ ইউনিয়ন এবং পৌরসভার ৯ ওয়ার্ড থেকে হাজার হাজার কর্মী-সমর্থকরা গনমিছিল ও সমাবেশে অংশ গ্রহন করেন।