1. [email protected] : Dainik Cumilla : Dainik Cumilla
  2. [email protected] : Habibur Monna : Habibur Monna
  3. [email protected] : unikbd :
আমেরিকা থেকে শুভ আগমন উপলক্ষে মোশারফ হোসন খান চৌধুরীকে লাল গোলাপের শুভেচ্ছা - Dainik Cumilla
শনিবার, ১৮ জুলাই ২০২৬, ০৫:২৯ অপরাহ্ন
শিরোনামঃ
নাঙ্গলকোটে জুলাই শহিদ সৈয়দ মুনতাসির রহমান আলিফের শাহাদাত বার্ষিকীতে আলোচনা সভা, দোয়া ও কবর জিয়ারত আওয়ামী লীগ আমলে সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে শিক্ষাব্যবস্থা: কুমিল্লা-৬ আসনের সংসদ সদস্য মনিরুল হক চৌধুরী দেবীদ্বারে মাদকাসক্ত ২ ভাইয়ের সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডের প্রতিবাদে অতিষ্ঠ গ্রামবাসীর মানববন্ধন কুবি শিক্ষার্থী সুমাইয়া হত্যা মামলার বিচার শুরু ১৬ আগস্ট সাংবাদিক মওদুদ আবদুল্লাহ শুভ্রের সাথে ঘটে যাওয়া অপরাধ সমূহ দ্রুত বন্ধ হওয়া উচিত জুলাই শহিদের কবরে জুতা পায়ে পুলিশ বীর মুক্তিযোদ্ধা গাজী বীন সালামের রাস্ট্রীয় মর্যাদায় দাফন সম্পন্ন কুমিল্লায় হাম উপসর্গে শিশুর মৃত্যু ১৬ই জুলাই শহিদ দিবস উপলক্ষে আলোচনা সভা নাঙ্গলকোটে স্কাউটস এর ওরিয়েন্টেশন কোর্স

আমেরিকা থেকে শুভ আগমন উপলক্ষে মোশারফ হোসন খান চৌধুরীকে লাল গোলাপের শুভেচ্ছা

  • প্রকাশিতঃ সোমবার, ২৯ জানুয়ারী, ২০২৪
  • ৩১৮ বার পঠিত

মোঃ রেজাউল হক শাকিল।।                 

কুমিল্লা ব্রাহ্মণপাড়া গত রোববার মোশারফ হোসেন খান চৌধুরী বিশ্ববিদ্যালয় পরিবারের পক্ষ থেকে বিশিষ্ট শিক্ষানুরাগী জনাব মোশারফ হোসেন খান চৌধুরী এবং তার পরিবারকে লাল গোলাপের শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানান।এ-সময়  উপস্থিত ছিলেন তার সহধর্মীনি মোছাম্মদ  ফয়জর নাহার পিনো, একমাত্র ছেলে মোঃ রুহান খান চৌধুরী। কলেজের অধ্যক্ষ মো আলতাফ হোসেনসহ ও শিক্ষক মন্ডলী ছাএ ছাএীরা এসময় তাকে ফুল ছিটিয়ে কলেজে বরণ করে নেন, এবং কলেজের বিএনসিসি শাখা থেকে গার্ড অফ আনার প্রধান করা হয়।তিনি আমেরিকা থেকে গত ২৫ জানুয়ারী দেশে আসেন। আমেরিকায় ট্যাক্সিক্যাব চালিয়ে মোশাররফ হোসেন খান চৌধুরী তার নিজ এলাকা ব্রাহ্মণপাড়ায় গড়ে তুলেছেন একাধিক শিক্ষা প্রতিষ্ঠান। শুধু শিক্ষা প্রতিষ্ঠানই না তিনি গড়ে তুলেছেন মসজিদ, মাদ্রাসা, এতিমখানা, ঈদগাহ এবং কবরস্থান। এসব প্রতিষ্ঠান গড়ে তুলে তিনি এক অনন্য নজির স্থাপন করেছেন।

 

মোশাররফ হোসেন খান চৌধুরী নিউইয়র্কে কখন ট্যাক্সিক্যাব চালান, কখনও কাজ করেন ফাস্টফুডের দোকানে। এমনকি প্রবাস জীবনের প্রথম দিকে নির্মাণ শ্রমিক হিসেবেও কাজ করেছেন তিনি। বর্তমানে দেশে না থাকলেও ভালো কাজে সবসময় তিনি তাঁর চিন্তা চেতনা দেশের বিভিন্ন উন্নয়ন এবং সমাজসেবামূলক ধারাবাহিক কর্মকান্ডের কারণে তিনি এলাকাবাসীর কাছে অত্যন্ত শ্রদ্ধা ও ভালোবাসার একজন মানুষে পরিনত হয়েছেন। এসব কর্মকাণ্ডের কারণে  পেয়েছেন দেশী বিদেশী অনেক পুরস্কার ও সম্মাননা। মোশাররফ হোসেন খান চৌধুরী শুধু কুমিল্লা নয়, গোটা বাংলাদেশের গর্ব। দেশের এই কৃতি সন্তানের  এসব কার্যক্রম দেশ-বিদেশে মানুষের মুখে মুখে। তিনি ১টি ২টি নয়, এলাকায় ৬টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান গড়েছেন। এসব শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে বর্তমানে ৬ হাজারের অধিক শিক্ষার্থী লেখাপড়া করছেন এবং দুই শতাধিক কর্মচারী কর্মরত আছেন। কুমিল্লার ব্রাহ্মণপাড়া উপজেলার ধান্যদৌল গ্রামের কৃতি সন্তান

মোশাররফ হোসেন খান চৌধুরী মাধ্যমিক পাস করার পর ১৯৮৩ সালে জীবিকার তাগিদে কাতার পাড়ি জমান। সাড়ে ৫ বছর পর বিদেশ থেকে দেশে এসে সামাজিক ও ধর্মীয় চিন্তা থেকে ১৯৮৮ সালে গ্রামে ঈদগাহ ও কবরস্থান তৈরি করেন। ১৯৮৯ সালে ধান্যদৌল গ্রামে বাবার নামে আবদুর রাজ্জাক খান চৌধুরী উচ্চ বিদ্যালয় প্রতিষ্ঠা করেন। ২০০২ সালে  মুমু রোহান চাইল্ড কেয়ার প্রি-ক্যাডেট কিন্ডারগার্টেন নামে একটি প্রতিষ্ঠান গড়ে তোলেন।

১৯৯৬ সালে মা ও দাদির নামে আশেদা- জোবেদা ফোরকানিয়া মাদ্রাসা প্রতিষ্ঠা করেন।  ১৯৯৯ সালে ব্রাহ্মণপাড়া উপজেলা সদরে প্রতিষ্ঠা করেন মোশাররফ  হোসেন খান চৌধুরী বিশ্ববিদ্যালয় কলেজ। কলেজটিতে ১০টি বিষয়ে অনার্সসহ ১টি বিষয়ে মাস্টার্স পড়ার সুযোগ রয়েছে। এই বিশ্ববিদ্যালয় ইন্টারমিডিয়েট, অনার্স ও ডিগ্রী পরীক্ষা কেন্দ্র রয়েছে। এর পাশাপাশি মোশাররফ হোসেন খান চৌধুরী ১৯৯৯ সালেই উপজেলা সদরে সাবেক আইনমন্ত্রী, প্রয়াত এমপি আব্দুল মতিন খসরু নামে মহিলা ডিগ্রি কলেজ প্রতিষ্ঠা করেন। টাকার অভাবে গরিব- ছেলেমেয়েরা যাতে শিক্ষাবঞ্চিত না হয় সে জন্য মোশাররফ হোসেন খান চৌধুরী ফাউন্ডেশন প্রতিষ্ঠা করে প্রতিবছর শিক্ষাবৃত্তি দিচ্ছেন তিনি। এধরণের মানবিক উদ্যোগে সাড়া দিয়েছে এলাকার মানুষের মনে। এলাকার জনকল্যাণে মোশাররফ খান চৌধুরীর উদ্যোগ ও অবদানের কথা উঠে আসে, দলমত ধর্ম, বর্ণ নির্বিশেষে এলাকার সবার কাছে। মোশাররফ হোসেন খান চৌধুরী বলেন , আমি আমার বাবা স্বপ্ন একে একে বাস্তবে রুপ দিয়ে যাচ্ছি। সমাজসেবার এই ব্রত অব্যাহত রাখতে পারলেই শান্তি পাবো। ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা সম্পর্কে তিনি জানান, প্রতিষ্ঠানগুলোর শিক্ষাব্যবস্থা আরও মানসম্মত করতে চাই। সেটা কিভাবে করা সে লক্ষ্যে শিক্ষা প্রতিষ্ঠান কর্তৃপক্ষ, প্রশাসন ও সংশ্লিষ্ট বিষয়ে সরকারের দায়িত্বপ্রাপ্ত ব্যক্তিদের সাথে কথা বলে স্মার্ট প্রতিষ্ঠান গড়ে তুলতে এবং মানুষের পাশে থেকে জীবন উৎসর্গ করে যেতে চাই।

তিনি এশিয়ান ডেমোক্র্যাটিক অ্যাসোসিয়েশন লিডারশিপ অ্যাওয়ার্ড , ফোবানা অ্যাওয়ার্ড, জজিয়া আটলান্টা, আমেরিকা। কুমিল্লা সোসাইটি অ্যাওয়ার্ড, আমেরিকা। সিটি হল অ্যাওয়ার্ড, নিউইয়র্ক, আমেরিকা। কুমিল্লা সোসাইটি স্বর্ণপদক অ্যাওয়ার্ড, আমেরিকা। কুমিল্লা সোগাইটি উত্তর আমেরিকা উনক অ্যাওয়ার্ডসহ দেশে/ বিদেশে পেয়েছেন অসংখ্য  সম্মামনা পুরস্কার পদক ও সংবর্ধনা।

শেয়ারঃ

এই জাতীয় অন্যান্য সংবাদ
© সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত © ২০২৫ | দৈনিক কুমিল্লা    
Developed By UNIK BD