1. [email protected] : Dainik Cumilla : Dainik Cumilla
  2. [email protected] : Habibur Monna : Habibur Monna
  3. [email protected] : unikbd :
শবে বরাতের আমল - Dainik Cumilla
শনিবার, ১৮ জুলাই ২০২৬, ০৩:২৫ পূর্বাহ্ন
শিরোনামঃ
দেবীদ্বারে মাদকাসক্ত ২ ভাইয়ের সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডের প্রতিবাদে অতিষ্ঠ গ্রামবাসীর মানববন্ধন কুবি শিক্ষার্থী সুমাইয়া হত্যা মামলার বিচার শুরু ১৬ আগস্ট সাংবাদিক মওদুদ আবদুল্লাহ শুভ্রের সাথে ঘটে যাওয়া অপরাধ সমূহ দ্রুত বন্ধ হওয়া উচিত জুলাই শহিদের কবরে জুতা পায়ে পুলিশ বীর মুক্তিযোদ্ধা গাজী বীন সালামের রাস্ট্রীয় মর্যাদায় দাফন সম্পন্ন কুমিল্লায় হাম উপসর্গে শিশুর মৃত্যু ১৬ই জুলাই শহিদ দিবস উপলক্ষে আলোচনা সভা নাঙ্গলকোটে স্কাউটস এর ওরিয়েন্টেশন কোর্স ব্রাহ্মণপাড়ায় ১১ দলীয় জোটের ‘জুলাই শহীদ দিবস’ পালন, বর্ণাঢ্য র‍্যালি ও সমাবেশ ব্রাহ্মণপাড়ায় ‘জুলাই শহীদ দিবস’ উপলক্ষে আলোচনা সভা

শবে বরাতের আমল

  • প্রকাশিতঃ রবিবার, ২৫ ফেব্রুয়ারী, ২০২৪
  • ৪৯০ বার পঠিত

 

মুহাম্মদ এনায়েত কবীর।। 
শবেবরাত মানে মুক্তির রাত।এ রাত অনন্য ফজিলতের রাত।অন্য দশটি রাতের তুলনায় এ রাতের মর্যাদা ও গুরুত্ব অনেক।
শবেবরাতের ফজিলত অর্জনের প্রতীক্ষায় থাকে বহু মানুষ। হাদিস শরীফে শবেবরাতকে লাইলাতুল নিসফি মিন শাবান বলা হয়েছে। এ বছর ২৫ ফেব্রুয়ারি দিবাগত রাতে পালিত হবে পূন্যময় শবে বরাত।
ক্ষমার আশায় মানুষ এ রাতে আল্লাহর কাছে হাত পাতবে। জাহান্নামিদের তালিকা থেকে নাম কাটানোর জন্য মানুষ অশ্রু ঝড়াবে। এ রাতে বর্ষিত হয় আল্লাহর রহমত শিশির। খুলে যায় ক্ষমার দুয়ার।

নবীজী ইরশাদ করেন, আল্লাহ তাআলা ১৪ শাবানের রাতে সৃষ্টিকুলের দিকে রহমতের নজর দেন এবং শিরিককারী ও বিদ্বেষী ছাড়া সবাইকে ক্ষমা করে দেন। (সহীহ ইবনে হিব্বান: ৫৬৬৫)

আমাদের সমাজের কেউ কেউ শবেবরাতকে অন্য দশটি রাতের মতোই মনে করেন। শবেবরাতের ফজিলতকে অস্বীকার করেন। তারা হয়তো এমন কথা শুনেছেন যে, শবেবরাত বলতে কিছু নেই। ফলে তারা এ রাতে বাড়তি কোনো ইবাদত করার প্রয়োজন মনে করেন না।
অথচ শবেবরাতে আল্লাহ তায়ালার রহমত ও ক্ষমার দুয়ার উন্মুক্ত হওয়ার কথা বহু কিতাবে বর্ণিত হয়েছে। শবেবরাতের ফজিলতের হাদিস ইমাম তাবরানী (রহ.) এর আলমুজামুল কাবীর ও আলমুজামুল আওসাতে বর্ণিত হয়েছে।

ইমাম বায়হাকীর (রহ.) শুআবুল ঈমানের ৩৮৩৩ নং হাদিসে শবেবরাতের আল্লাহর অবারিত রহমত ও মাগফেরাতের কথা বর্ণিত হয়েছে।

সুনানে ইবনে মাজাহ শরীফের এক হাদিস। নবীজি ইরশাদ করেন, তোমরা ১৪ শাবানের রাতটি ইবাদত-বন্দেগীতে কাটাও এবং দিনের বেলায় রোজা রাখ। কারণ এ দিন সূর্য অস্ত যাওয়ার পর আল্লাহ তায়ালা দুনিয়ার আসমানে এসে ডেকে ডেকে বলেন, আছো কোনো ক্ষমাপ্রার্থী? আমি তাকে ক্ষমা করব। আছো কোনো রিজিক প্রত্যাশী? আমি রিজিক দেব।

এভাবে সুবহে সাদিক পর্যন্ত মানুষের প্রয়োজনের কথা বলে ডাকতে থাকেন। (ইবনে মাজাহ, হাদিস নং -১৩৮৪)।
নবীজির এমন নির্দেশনার পরেও শবেবরাতের ইবাদত নিয়ে আপত্তি তোলার কোনো অজুহাত বা যৌক্তিকতা থাকতে পারেনা।

শবেবরাতে ইবাদতের বিশেষ কোনো পন্থা বা নিয়ম নেই।  বরং এই রাতে বেশি ইবাদতের কথা হাদিসে এসেছে।

শবেবরাতে নবীজির নামাজ প্রসঙ্গে হযরত আয়েশা রা. বলেন, নবীজি নামাজে দাঁড়ালেন এবং দীর্ঘসময় সেজদা করলেন। আমি ভাবলাম, তিনি হয়ত মৃত্যুবরণ করেছেন। তখন তার বৃদ্ধাঙ্গুলি নাড়া দিলাম। তার বৃদ্ধাঙ্গুলি নড়ল। (শুআবুল ঈমান, বায়হাকী ৩/৩৮২-৩৬৮)
শবেবরাতের আমলগুলো হলো নফল আমল। তাই সম্ভব হলে মসজিদে ভিড় না করে নিজের বাসাবাড়িতে আমল করাই উত্তম।

এই রাতের নামাজে নির্ধারিত কোনো সূরা পড়তে হয় না। বরং যে কোনো সূরা দিয়েই নামাজ পড়া যায়। এতো এতো রাকাত নামাজ পড়তে হবে এমনও কোনো নিয়ম নেই। বরং স্বাচ্ছন্দ্য এবং স্বতঃস্ফূর্ততার সাথে যতো রাকাত পড়া যায়, পড়বেন।

নামাজ পড়তে পড়তে ক্লান্তি এসে গেলে জিকিরে করতে পারেন। জিকিরে ক্লান্তি এসে গেলে কুরআন তেলাওয়াত করতে পারেন। দরুদ শরীফ এবং তওবা ইস্তেগফার পড়তে পারবে।
দোয়াও ইবাদত।  যেহেতু এই রাতে ক্ষমা প্রাপ্তি এবং জাহান্নাম থেকে মুক্তির রাত, তাই বিভিন্ন আমলের ফাঁকে বেশি বেশি দোয়াও করতে পারেন। সম্ভব হলে কবর জিয়ারত করতে পারেন।
তবে শবেবরাতে বিভিন্ন আমলের ক্লান্তিতে ফজরের জামাত যেন ছুটে না যায়। সেটা গুরুত্বের সাথে লক্ষ্য রাখতে হবে।
দোয়াও ইবাদত।  যেহেতু এই রাতে ক্ষমা প্রাপ্তি এবং জাহান্নাম থেকে মুক্তির রাত, তাই বিভিন্ন আমলের ফাঁকে বেশি বেশি দোয়াও করতে পারেন। সম্ভব হলে কবর জিয়ারত করতে পারেন।
তবে শবেবরাতে বিভিন্ন আমলের ক্লান্তিতে ফজরের জামাত যেন ছুটে না যায়। সেটা গুরুত্বের সাথে লক্ষ্য রাখতে হবে।

 

 

 

 

শেয়ারঃ

এই জাতীয় অন্যান্য সংবাদ
© সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত © ২০২৫ | দৈনিক কুমিল্লা    
Developed By UNIK BD