1. [email protected] : Dainik Cumilla : Dainik Cumilla
  2. [email protected] : Habibur Monna : Habibur Monna
  3. [email protected] : unikbd :
নাঙ্গলকোটে রেলওয়ের জায়গা থেকে ৬৭টি স্থাপনা উচ্ছেদ - Dainik Cumilla
শনিবার, ১৮ জুলাই ২০২৬, ১২:৪৪ পূর্বাহ্ন
শিরোনামঃ
দেবীদ্বারে মাদকাসক্ত ২ ভাইয়ের সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডের প্রতিবাদে অতিষ্ঠ গ্রামবাসীর মানববন্ধন কুবি শিক্ষার্থী সুমাইয়া হত্যা মামলার বিচার শুরু ১৬ আগস্ট সাংবাদিক মওদুদ আবদুল্লাহ শুভ্রের সাথে ঘটে যাওয়া অপরাধ সমূহ দ্রুত বন্ধ হওয়া উচিত জুলাই শহিদের কবরে জুতা পায়ে পুলিশ বীর মুক্তিযোদ্ধা গাজী বীন সালামের রাস্ট্রীয় মর্যাদায় দাফন সম্পন্ন কুমিল্লায় হাম উপসর্গে শিশুর মৃত্যু ১৬ই জুলাই শহিদ দিবস উপলক্ষে আলোচনা সভা নাঙ্গলকোটে স্কাউটস এর ওরিয়েন্টেশন কোর্স ব্রাহ্মণপাড়ায় ১১ দলীয় জোটের ‘জুলাই শহীদ দিবস’ পালন, বর্ণাঢ্য র‍্যালি ও সমাবেশ ব্রাহ্মণপাড়ায় ‘জুলাই শহীদ দিবস’ উপলক্ষে আলোচনা সভা

নাঙ্গলকোটে রেলওয়ের জায়গা থেকে ৬৭টি স্থাপনা উচ্ছেদ

  • প্রকাশিতঃ বুধবার, ১০ ডিসেম্বর, ২০২৫
  • ২০০ বার পঠিত

 

সাফায়েত উল্লাহ মিয়াজী, নাঙ্গলকোট (কুমিল্লা) প্রতিনিধি:

কুমিল্লার নাঙ্গলকোট বাজারে রেলওয়ের জায়গা থেকে ক্ষতিপূরণ লাইসেন্স এর আওতায় নির্মাণ করা স্থাপনা, দোকানপাট উচ্ছেদ করা হয়েছে। বুধবার সকাল ১০টা থেকে দিনব্যাপী নাঙ্গলকোট বাজার রেলগেইট থেকে নাঙ্গলকোট রেলওয়ে স্টেশন এলাকায় এই উচ্ছেদ অভিযান চালায় রেলওয়ে কর্তৃপক্ষ। নাঙ্গলকোট উপজেলা প্রশাসনের সহায়তায় অভিযানে নেতৃত্ব দেন রেলওয়ে চট্টগ্রাম বিভাগীয় ভূসম্পত্তি কর্মকর্তা খোরশেদ আলম চৌধুরী। অভিযানে নাঙ্গলকোট রেলওয়ে স্টেশনের পূর্ব পাশের রাস্তার পাশে রেলওয়ের জায়গায় অবৈধভাবে গড়ে উঠা চাউলের আড়ৎ, মোবাইল মেরামতের দোকান, কোকারিজ, ফুল, ইভেন্ট ম্যানেজমেন্ট, স্টুডিও, হোমিওপ্যাথি ডাক্তার চেম্বার,ফার্ণিচার, থাই এলুমিনিয়াম, টেইলার্স, প্রেস, সেলুন, মনোহারি দোকান, চায়ের দোকান, হোটেলসহ স্থায়ী ও অস্থায়ী ৬৭টি স্থাপনা গুঁড়িয়ে দেওয়া হয়।

এব্যাপারে নাঙ্গলকোটের রাজনীতিবিদ ও সমাজসেবক ব্যবসায়ী মোহাম্মদ বশিরুজ্জামান বলেন যেহেতু সকল স্থাপনা মালিকদের কাছে রেলওয়ে কতৃপক্ষের দেওয়া ক্ষতিপূরণ নামক একটি লাইসেন্স রয়েছে তাই রেলওয়ে কতৃপক্ষ যদি এই উল্লেখিত লাইসেন্সদারীদের ঘর উচ্ছেদ করার সিদ্ধান্ত গ্রহণ করে থাকে তাহলে অবশ্যই তাদেরকে এই লাইসেন্স বাতিল ঘোষণা করে উচ্ছেদের পূর্বে সকল স্থাপনা মালিকদের চিঠি দেওয়া উচিত ছিলো। ক্ষতিপূরণ লাইসেন্সের আওতায় স্হাপনা মালিকদেরকে কোনো প্রকার চিঠি না দিয়ে তাদের প্রতিষ্ঠান ঘুড়িয়ে দেওয়া লাইসেন্সকারীদের উপর অন্যায় করা হয়েছে। আমি রেলওয়ে কতৃপক্ষের এমন হটকারি সিদ্ধান্তের তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাই এবং রেলওয়ে কতৃপক্ষের কাছে ভেঙে ঘুড়িয়ে দেওয়া স্থাপনা মালিকদের ক্ষতিপূরণের দাবী জানাই।

এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট ও নাঙ্গলকোট উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) মিল্টন চাকমা বলেন, আমি অভিযানে শুধু মাত্র এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট হিসেবে আইনশৃঙ্খলা নিয়ন্ত্রণে কাজ করেছি।

রেলওয়ের চট্টগ্রাম বিভাগীয় ভূ-সম্পত্তি কর্মকর্তা খোরশেদ আলম চৌধুরী বলেন, নাঙ্গলকোট রেলওয়ে স্টেশন এলাকায় অবৈধভাবে গড়ে উঠা স্থাপনা উচ্ছেদে এই অভিযান চালানো হয়। অভিযানে ৫০টি স্থাপনা দখলমুক্ত করা হয়। জনস্বার্থে এমন অভিযান ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে।

অভিযানে রেলওয়ের চট্টগ্রাম বিভাগীয় সহকারী ভূসম্পত্তি কর্মকর্তা, রেলওয়ের কানুনগো, স্টেশন মাস্টারসহ ও যৌথ বাহিনীর সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।

 

 

শেয়ারঃ

এই জাতীয় অন্যান্য সংবাদ
© সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত © ২০২৫ | দৈনিক কুমিল্লা    
Developed By UNIK BD