1. [email protected] : Dainik Cumilla : Dainik Cumilla
  2. [email protected] : Habibur Monna : Habibur Monna
  3. [email protected] : unikbd :
কুমিল্লায় কোরবানির ১৭ উপজেলায় দুই লক্ষ ২৯ হাজার ৯৮ টি পশু আছে - Dainik Cumilla
শনিবার, ১৮ জুলাই ২০২৬, ০৫:২৫ পূর্বাহ্ন
শিরোনামঃ
দেবীদ্বারে মাদকাসক্ত ২ ভাইয়ের সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডের প্রতিবাদে অতিষ্ঠ গ্রামবাসীর মানববন্ধন কুবি শিক্ষার্থী সুমাইয়া হত্যা মামলার বিচার শুরু ১৬ আগস্ট সাংবাদিক মওদুদ আবদুল্লাহ শুভ্রের সাথে ঘটে যাওয়া অপরাধ সমূহ দ্রুত বন্ধ হওয়া উচিত জুলাই শহিদের কবরে জুতা পায়ে পুলিশ বীর মুক্তিযোদ্ধা গাজী বীন সালামের রাস্ট্রীয় মর্যাদায় দাফন সম্পন্ন কুমিল্লায় হাম উপসর্গে শিশুর মৃত্যু ১৬ই জুলাই শহিদ দিবস উপলক্ষে আলোচনা সভা নাঙ্গলকোটে স্কাউটস এর ওরিয়েন্টেশন কোর্স ব্রাহ্মণপাড়ায় ১১ দলীয় জোটের ‘জুলাই শহীদ দিবস’ পালন, বর্ণাঢ্য র‍্যালি ও সমাবেশ ব্রাহ্মণপাড়ায় ‘জুলাই শহীদ দিবস’ উপলক্ষে আলোচনা সভা

কুমিল্লায় কোরবানির ১৭ উপজেলায় দুই লক্ষ ২৯ হাজার ৯৮ টি পশু আছে

  • প্রকাশিতঃ শনিবার, ২৪ জুন, ২০২৩
  • ১০৩৯ বার পঠিত

নেকবর হোসেন :

কোরবানির ঈদকে সামনে রেখে কুমিল্লায় পশু পালন করছেন ৩৩ হাজার ৯৩৭ জন খামারী। এ বছর জেলার ছয় উপজেলায় কোরবানির পশুর ঘাটতি কথা জানিয়েছে প্রাণিসম্পদ বিভাগ। তবে কুমিল্লার ভৌগলিক গুরুত্ব আর বড় জেলা হিসাবে কোরবানির সাড়ে ৮ হাজার পশু অতিরিক্ত থাকবে বলছেন কর্মকর্তারা।

কুমিল্লা জেলা প্রাণিসম্পদ বিভাগের তথ্যমতে, ১৭ উপজেলায় চাহিদা দুই লক্ষ ২০ হাজার ৪৯২ টি পশু। জেলায় মোট পশু রয়েছে দুই লক্ষ ২৯ হাজার ০৯৮টি। পুরো জেলায় আট হাজার ৬০৬টি পশু উদ্বৃত্ত আছে।

তবে উপজেলার হিসাবে চৌদ্দগ্রামে ২৭৩, নাঙ্গলকোটে ৬০৮, চান্দিনা ৪২৬, দেবিদ্বার ৪৩৩৫, হোমনা ৩৯৫ ও সদর দক্ষিণে ১০৩৯টি পশু ঘাটতি রয়েছে।

সম্প্রতি প্রকাশিত জরিপে আরো দেখা যায়, পশু লালনপালনে শীর্ষে রয়েছে লাকসাম উপজেলা। এ উপজেলার দুই হাজার ৫৯২জন খামারি ২১ হাজার কোরবানির পশু পালন করছেন। যা উপজেলার চাহিদা থেকে সাড়ে সাত হাজার বেশি। মেঘনা উপজেলার ১ হাজার ৬০৫ জন খামারি নয়হাজার ৮৩৯টি পশু কোরবানির জন্য প্রস্তুত করেছেন। যা উপজেলার চাহিদা থেকে দু’হাজার চারশতটি বেশি রয়েছে।

বরুড়ার ঝলম এলাকার খামারি রুবেল সর্দার জানান, সব কিছু কিনে খাওয়াতে হয়। দিনদিন গরুর খাদ্যের দাম বাড়তে আমাদের লস গুণতে হয়। যদি ভারতের গরু প্রবেশ করে। তবে বাজার খারাপ যাবে।

কুমিল্লা প্রাণিসম্পদ ট্রেনিং অফিসার চন্দন কুমার পোদ্দার বলেন, কুমিল্লায় চাহিদা থেকেও আট হাজার পশু বেশি আছে। সেসব উপজেলায় পশু কম পাশের উপজেলা বা অন্য জেলা থেকেও পশু আসে। কুমিল্লা ভৌগলিক গুরুত্বের কারণে পাশের জেলাসহ সারাদেশে ট্রাকে করে গরু আনা নেওয়া করা হয়।

জেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ডা. মো. নজরুল ইসলাম জানান, এবছর গরু আছে এক লক্ষ ৮৫ হাজার ৯৫৬, মহিষ আছে ১০৬, ছাগল ৪০ হাজার ৮৮৩ ও ভেড়া দু’হাজার ১৫৩টি। এসব কোরবানির জন্য প্রস্তুত করা আছে। কুমিল্লায় পশু সংকটের সম্ভাবনা নেই। এদিকে ভালো পশু বাছাইয়ে হাটে আমরা মেডিকেল টিম বসাবো। এ বিষয়ে বাজার কমিটির সহযোগিতা লাগবে।

শেয়ারঃ

এই জাতীয় অন্যান্য সংবাদ
© সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত © ২০২৫ | দৈনিক কুমিল্লা    
Developed By UNIK BD