1. [email protected] : Dainik Cumilla : Dainik Cumilla
  2. [email protected] : Habibur Monna : Habibur Monna
  3. [email protected] : unikbd :
কুমিল্লার কেন্দ্রীয় কারাগারে একজনের সাজা খাটছে অন্য আসামি - Dainik Cumilla
শনিবার, ১৮ জুলাই ২০২৬, ০৫:৫৯ পূর্বাহ্ন
শিরোনামঃ
দেবীদ্বারে মাদকাসক্ত ২ ভাইয়ের সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডের প্রতিবাদে অতিষ্ঠ গ্রামবাসীর মানববন্ধন কুবি শিক্ষার্থী সুমাইয়া হত্যা মামলার বিচার শুরু ১৬ আগস্ট সাংবাদিক মওদুদ আবদুল্লাহ শুভ্রের সাথে ঘটে যাওয়া অপরাধ সমূহ দ্রুত বন্ধ হওয়া উচিত জুলাই শহিদের কবরে জুতা পায়ে পুলিশ বীর মুক্তিযোদ্ধা গাজী বীন সালামের রাস্ট্রীয় মর্যাদায় দাফন সম্পন্ন কুমিল্লায় হাম উপসর্গে শিশুর মৃত্যু ১৬ই জুলাই শহিদ দিবস উপলক্ষে আলোচনা সভা নাঙ্গলকোটে স্কাউটস এর ওরিয়েন্টেশন কোর্স ব্রাহ্মণপাড়ায় ১১ দলীয় জোটের ‘জুলাই শহীদ দিবস’ পালন, বর্ণাঢ্য র‍্যালি ও সমাবেশ ব্রাহ্মণপাড়ায় ‘জুলাই শহীদ দিবস’ উপলক্ষে আলোচনা সভা

কুমিল্লার কেন্দ্রীয় কারাগারে একজনের সাজা খাটছে অন্য আসামি

  • প্রকাশিতঃ বৃহস্পতিবার, ২৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৫
  • ১৬৯ বার পঠিত

নেকবর হোসেন

কুমিল্লার কেন্দ্রীয় কারাগারে মাত্র ৩০ হাজার টাকার বিনিময়ে একজনের জেল খাটছেন অন্যজন। গত আগস্ট মাসে ঘটনাটি ঘটলেও তা সামনে আসে সেপ্টেম্বরে। এ ঘটনায় কুমিল্লা কারাগার ও আদালতপাড়ায় বেশ চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে।

জানা গেছে, ২০১১ সালে কুমিল্লা সদর দক্ষিণ থানার একটি মামলায় কক্সবাজারের টেকনাফের নাইট্যমপাড়া গ্রামের বাসিন্দা আবদুর রহমানের ছেলে জোবাইদ পুতিয়ার ঠাঁই হয় কুমিল্লা কারাগারে। ওই বছরের ৯ আগস্ট থেকে ২০১২ সালের ২৬ জানুয়ারি পর্যন্ত জেল খাটেন তিনি। এরপর জামিনে মুক্ত হন। ২০১৮ সালে মামলাটি দায়রা আদালতের নথিভুক্ত হয়। এরপর চলতি বছরের ১২ আগস্ট কুমিল্লার অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ আদালতের আইনজীবী এএইচএম আবাদের মাধ্যমে আত্মসমর্পণ করেন জোবাইদ পুতিয়া পরিচয় দেওয়া এক ব্যক্তি। নিয়ম অনুযায়ী আসামিকে আনা হয় কারাগারেও। কিন্তু বিপত্তি বাধে পরদিনই। কারাগারে কয়েদির তালিকায় নেই জোবাইদ পুতিয়া, যিনি জেল খাটছেন তার নাম নুর মোহাম্মদ!

কারাগার ও আদালতের নথিপত্র বলছে, নূর মোহাম্মদ টেকনাফের ৩ নম্বর ওয়ার্ডের ফকির আহাম্মদের ছেলে। প্রশ্ন উঠেছে, কীভাবে একরাতে পরিচয় পাল্টে নুর মোহাম্মদ হলেন জোবাইদ পুতিয়া? কেনই-বা অন্যের সাজা খাটছেন নুর মোহাম্মদ?

কুমিল্লা কারাগার ও আদালতের একাধিক সূত্র বলছে, নূর মোহাম্মদ এই সাজার বিনিময়ে নিয়েছেন ৩০ হাজার টাকা। তাঁকে আশ্বাস দেওয়া হয়েছিল, জেলে যাওয়ার তিন দিনের মধ্যেই নিয়ে যাওয়া হবে কারাগার থেকে।

এই ঘটনায় কারাগারে আসা নুর মোহাম্মদের আইনজীবী বলেন, আমি ওই আসামিকে জিজ্ঞেস করেছিলাম। সে আমাকে বলেছিল সে জুবাইদ পুতিয়া। আমি এর আগে তাকে দেখিনি। আইডিকার্ড চেয়েছিলাম। সে বলেছে সে প্রবাস থেকে এসেছে, তার কাছে আইডিকার্ড তাৎক্ষণিক ছিল না। পরে দেবে। কিন্তু ঘটনা পরে শুনে তো আমিই অবাক। আমার দীর্ঘ আইনজীবী ক্যারিয়ার ধ্বংস করেছে এই ঘটনা। তবে আমার কাছে এই আসামি নিয়ে এসেছিল সহকারী শ্রীমন্ত।

অ্যাডভোকেট আবাদের সহকারী শ্রীমান্তের সঙ্গে যোগাযোগ করলে তিনি জানান, আদালত ভুল বুঝছে। তাদের নাকি নামে ভুল ছিল। এ সময় শ্রীমন্ত সুমন নামের আরও একজনের কথা বলেন। সুমন এই মামলার কথা তাকে বলেছে বলে জানান তিনি।

এই রিপোর্টারকে সুমন নামের ওই ব্যক্তি বলেন, ২০১৮ সালের দিকে আমি কারাগারে ছিলাম। ওই সময় আমার সঙ্গে টেকনাফের এক লোকের পরিচয় হয়। তিনি আমাকে জুবাইদ পুতিয়ার জন্য আইনজীবী খুঁজে দেন। তবে ওই ব্যক্তির বিষয়ে তেমন কিছু জানাননি সুমন।
কুমিল্লা কেন্দ্রীয় কারাগারের সিনিয়র জেলা সুপার হালিমা আক্তার বলেন, আমরা ঘটনাটি ১৪ আগস্ট জেনেই কর্তৃপক্ষকে জানিয়েছি। এই বিষয়টি আদালতকেও জানিয়েছি। এখন আদালতের বিষয় আমি আর কিছু বলতে চাই না।

শেয়ারঃ

এই জাতীয় অন্যান্য সংবাদ
© সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত © ২০২৫ | দৈনিক কুমিল্লা    
Developed By UNIK BD