1. [email protected] : Dainik Cumilla : Dainik Cumilla
  2. [email protected] : Habibur Monna : Habibur Monna
  3. [email protected] : unikbd :
- Dainik Cumilla
শনিবার, ১৮ জুলাই ২০২৬, ০২:৫৭ পূর্বাহ্ন
শিরোনামঃ
দেবীদ্বারে মাদকাসক্ত ২ ভাইয়ের সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডের প্রতিবাদে অতিষ্ঠ গ্রামবাসীর মানববন্ধন কুবি শিক্ষার্থী সুমাইয়া হত্যা মামলার বিচার শুরু ১৬ আগস্ট সাংবাদিক মওদুদ আবদুল্লাহ শুভ্রের সাথে ঘটে যাওয়া অপরাধ সমূহ দ্রুত বন্ধ হওয়া উচিত জুলাই শহিদের কবরে জুতা পায়ে পুলিশ বীর মুক্তিযোদ্ধা গাজী বীন সালামের রাস্ট্রীয় মর্যাদায় দাফন সম্পন্ন কুমিল্লায় হাম উপসর্গে শিশুর মৃত্যু ১৬ই জুলাই শহিদ দিবস উপলক্ষে আলোচনা সভা নাঙ্গলকোটে স্কাউটস এর ওরিয়েন্টেশন কোর্স ব্রাহ্মণপাড়ায় ১১ দলীয় জোটের ‘জুলাই শহীদ দিবস’ পালন, বর্ণাঢ্য র‍্যালি ও সমাবেশ ব্রাহ্মণপাড়ায় ‘জুলাই শহীদ দিবস’ উপলক্ষে আলোচনা সভা

  • প্রকাশিতঃ সোমবার, ২ সেপ্টেম্বর, ২০২৪
  • ২৯৭ বার পঠিত

কুমিল্লায় বন্যা পরিস্থিতির উন্নতি, চলছে ঘরে ওঠার প্রস্তুতি

নেকবর হোসেন

কুমিল্লার গোমতি, ডাকাতিয়া, ঘুংঘুরসহ বিভিন্ন নদ-নদীর পানি স্বাভাবিক হয়ে এসেছে। ফলে বন্যা পরিস্থিতির উন্নতি হচ্ছে। কেউ কেউ ঘরে ফিরতে শুরু করেছে। তবে বন্যায় হাজার হাজার বাড়িঘর ব্যাপক ক্ষতিগ্রস্ত হয়ে। অনেক বাড়িঘর বসবাসের উপযোগিতা হারিয়েছে।
বন্যা কবলিত মানুষের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, খাদ্যসংকট ও নানা রোগে আক্রান্ত হচ্ছে অনেকে। তারা জানায়, যেখানে দুবেলা আহার জোটানো কষ্টসাধ্য, সেখানে বাড়িঘর ঠিক করার প্রশ্ন আরও পরের বিষয়। ফলে আপাতত খোলা আকাশের নিচেই থাকতে হচ্ছে তাদের।
বুরবুড়িয়া এলাকার বাসিন্দা মনোয়ারা বেগম বলেন, ‘বাড়িঘরের পানি কমলেও বাড়িতে তো কিছুই নাই। আমার সাজানো সংসারে কত কিছুই না ছিল।’
মিলন নামের এক বাসিন্দা বলেন, ‘বাঁধ ভাঙার খবরে জানডা লইয়া বাহির হইছি। কিছুই সরাতে পারিনি। পানি কমায় বাড়িতে এসে দেখি, ঘরডা পইরা রইছে। আগামী দুই-তিন মাসেও ঘর ঠিক করে উঠতে পারুম না।’
বন্যায় সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে কৃষি ও মৎস্য খাত। কৃষিতে সাড়ে ৮০০ কোটি টাকার ক্ষতির প্রাথমিক তথ্য জানিয়েছে কৃষি অধিদপ্তর। প্রাথমিক সমীক্ষায় ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে মাছ চাষের আড়াই হাজারের বেশি পুকুর, দিঘি ও ঘের। তবে বন্যা যত দীর্ঘস্থায়ী হবে, ক্ষতির পরিমাণ তত বাড়বে বলে জানিয়েছেন কৃষক ও মৎস্য চাষিরা।
এদিকে গোমতী নদীর বুরবুড়িয়ায় বাঁধের ভাঙা অংশ দিয়ে এখনো পানি লোকালয়ে প্রবেশ করছে। তবে প্রবাহের মাত্রা অনেকটা কমে আসছে।
জেলা প্রশাসনের হিসাব মতে, জেলায় ১০ লাখ ৭৮ হাজার মানুষ পানিবন্দী আছে। ৭২৪টি আশ্রয় কেন্দ্রে ৭৮ হাজারের বেশি মানুষ আশ্রয় নিয়েছে। ২২৫টি মেডিকেল টিম এদের চিকিৎসা দিচ্ছে।
জেলা প্রশাসন থেকে ৩৯ লাখ নগদ টাকা ও ৮০০ মেট্রিক টন চাল বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে। অন্যদিকে ত্রাণ ও দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে কুমিল্লা জেলায় ১৬ শ মেট্রিক টন চাল, নগদ ২৫ লাখ টাকা বরাদ্দ দেওয়া হয়। তা ছাড়া কুমিল্লায় পর্যাপ্ত ত্রাণ এসেছে। বিভিন্ন সংগঠন ও শিক্ষার্থীরা এসব ত্রাণ দুর্গতদের মাঝে পৌঁছে দিচ্ছেন।

শেয়ারঃ

এই জাতীয় অন্যান্য সংবাদ
© সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত © ২০২৫ | দৈনিক কুমিল্লা    
Developed By UNIK BD