1. [email protected] : Dainik Cumilla : Dainik Cumilla
  2. [email protected] : Habibur Monna : Habibur Monna
  3. [email protected] : unikbd :
কুমিল্লায় আষাঢ়ের বৃষ্টি উপেক্ষা করে বিনোদন কেন্দ্রগুলোতে ছিল উপচে পড়া ভিড়  - Dainik Cumilla
শনিবার, ১৮ জুলাই ২০২৬, ০৪:৫৩ পূর্বাহ্ন
শিরোনামঃ
দেবীদ্বারে মাদকাসক্ত ২ ভাইয়ের সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডের প্রতিবাদে অতিষ্ঠ গ্রামবাসীর মানববন্ধন কুবি শিক্ষার্থী সুমাইয়া হত্যা মামলার বিচার শুরু ১৬ আগস্ট সাংবাদিক মওদুদ আবদুল্লাহ শুভ্রের সাথে ঘটে যাওয়া অপরাধ সমূহ দ্রুত বন্ধ হওয়া উচিত জুলাই শহিদের কবরে জুতা পায়ে পুলিশ বীর মুক্তিযোদ্ধা গাজী বীন সালামের রাস্ট্রীয় মর্যাদায় দাফন সম্পন্ন কুমিল্লায় হাম উপসর্গে শিশুর মৃত্যু ১৬ই জুলাই শহিদ দিবস উপলক্ষে আলোচনা সভা নাঙ্গলকোটে স্কাউটস এর ওরিয়েন্টেশন কোর্স ব্রাহ্মণপাড়ায় ১১ দলীয় জোটের ‘জুলাই শহীদ দিবস’ পালন, বর্ণাঢ্য র‍্যালি ও সমাবেশ ব্রাহ্মণপাড়ায় ‘জুলাই শহীদ দিবস’ উপলক্ষে আলোচনা সভা

কুমিল্লায় আষাঢ়ের বৃষ্টি উপেক্ষা করে বিনোদন কেন্দ্রগুলোতে ছিল উপচে পড়া ভিড় 

  • প্রকাশিতঃ মঙ্গলবার, ৪ জুলাই, ২০২৩
  • ১২৮০ বার পঠিত

নেকবর হোসেন :

কুমিল্লায় আষাঢ়ের বৃষ্টি উপেক্ষা করে প্রতিটি বিনোদন কেন্দ্রে ছিল দর্শনার্থী ও ভ্রমন পিপাষুদের উপচে পড়া ভিড়।

ঈদের দিন থেকে শুরু করে পরপর তিনদিন বৃষ্টির হানায় ভ্রমন পিপাষুরা কিছুটা বাঁধাগ্রস্থ হলেও দিন শেষে বাঁধভাঙ্গা আনন্দ নিয়ে বাড়ি ফিরেন তারা। তবে বৃষ্টিতে আশানুরূপ দর্শনার্থী মিলেনি দাবী করেন বিনোদন কেন্দ্রের সংশ্লিষ্টরা।

আষাঢ়ের বৈরী আবহাওয়ায় সকালে রোদ তো দুপুরে অঝোর ধারায় বৃষ্টি আবার দুপুরে বৃষ্টি তো সন্ধায় মুখে হাসি নিয়ে অস্ত যাচ্ছে সূর্য মামা। এমন রোদ-বৃষ্টির লুকোচুরি খেলার মধ্য দিয়ে এবার কেটেছে ঈদ-উল আযহার আনন্দ উৎসব। তারপরও ঘরে বসে ছিল না ভ্রমন পিপাষুরা। শুক্রবার ও শনিবার বৃষ্টি বেশি থাকায় রবি ও সোমবার দর্শনার্থীদের ভিড় বাড়ে প্রতিটি বিনোদন কেন্দ্রে।

পরিবার-পরিজন, আত্মীয়-স্বজন, বন্ধু-বান্ধবদের সাথে নিয়ে আনন্দ উল্লাসে কেটেছে ভ্রমন পিপাষুদের। শিশু-কিশোর, যুবক-যুবতী থেকে শুরু করে সব বয়সীদের মিলন মেলায় পরিণত হয়েছে জেলার বিনোদন কেন্দ্রগুলো। আনন্দে মেতেছে ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে সকল সম্প্রদায়ের মানুষ। বিনোদনে একাকার হয়ে গেছে ধনী-গরীবের ভেদাভেদ।

জেলার নগর উদ্যান বা ধর্মসাগরপাড় ছাড়া শহরের ভিতর তেমন কোন বিনোদন কেন্দ্র না থাকায় কোটবাড়ি এলাকাস্থ বিনোদন কেন্দ্রগুলোতে দর্শনার্থীদের পদচারণা ছিল বেশ চোখে পড়ার মতো। এর মধ্যে প্রত্নতাত্তিক নিদর্শন রাজবাড়ি, যাদুঘর, কোটিলামুড়া, রূপবানমুড়া বা শালবন বিহার। সরকারি ওই বিনোদন কেন্দ্রের পাশাপাশি কোটবাড়ি এলাকায় বেসরকারি বা ব্যক্তি মালিকানা উদ্যোগে বেশ কয়েকটি বিনোদন কেন্দ্র গড়ে উঠায় ভ্রমন পিপাষুদের ভ্রমন তৃষ্ণা মেটাচ্ছে ওইসব বিনোদন কেন্দ্রগুলোত। এর মধ্যে রয়েছে ডাইনোসর পার্ক, ব্লু ওয়াটার পার্ক এবং সালমানপুর ম্যাজিক প্যারাডাইস।

এছাড়া শহরের বাহিরে ময়নামতি সেনা নিবাস এলাকার রূপসাগর, গোমতি নদীর পাড়ে পালপাড়া ব্রীজ এলাকা, লালমাই লেক লেন, নূরজাহান পার্ক, সদর দক্ষিণের লালবাগ এলাকার ইকোপার্ক হাজার হাজার দর্শনার্থীদের পদচারণা।

ম্যাজিক প্যারাডাইসে পদর্শনার্থীদের পদচারণা ছিল চোখে পড়ার মতো। সুমিং, রাইড শেয়ারিং সহ বিনোদনের বিভিন্ন ব্যবস্থা থাকায় এ বিনোদন কেন্দ্রটি ছিল আলোচনার শীর্ষে।

ভ্রমনে আসা সুমাইয়া ইসলাম জানান, আমরা স্বামী-স্ত্রী চাকুরী করি। শিশুদের সময় দেওয়ার মতো সব সময় সুযোগ হয়ে উঠে না। এবারের ঈদের লম্বা ছুটি পেয়েছি তাই ভ্রমনটাও বেশি করছি। তবে কুমিল্লার মধ্যে এতো সুন্দর ভ্রমনের স্থান আমি আগে জানতাম না।

ম্যাজিক প্যারাডাইসের প্রশাসনিক কর্মকর্তা মুদাব্বির হোসেন নাছির জানান, দর্শনার্থী প্রতিদিনই ছিল। তবে বৃষ্টিতে কিছুটা বিঘ্ন ঘটেছে। প্রতিদিন গড়ে ৪ হাজার দর্শনার্থী আমাদের এখানে এসেছে। বৃষ্টি না থাকলে হয়তো ৭-৮ হাজার দর্শনার্থী পেতাম।

কুমিল্লা ময়নামতি যাদুঘরের কাস্টোডিয়ান হাসিবুল হাসান জানান, ঈদের দিন আমাদের বন্ধ ছিল। কিন্তু ঈদের পরদিন থেকে চার দিনে শালবন বিহারে প্রায় ৩৫ হাজার দর্শনার্থী উপস্থিত হওয়ায় আড়াই লক্ষাধিক টাকা রাজস্ব আদায় হয়েছে। তবে যাদুঘর রবিবার বন্ধ থাকায় এবং সোমবার অর্ধদিবস থাকায় তেমন দর্শনার্থী পায়নি।

তিনি ভ্রমন পিপাষুদের ধন্যবাদ জানিয়ে বলেন, এমন বৈরি আবহাওয়া উপেক্ষা করে যখন মানুষ ভ্রমনে বের হয়েছে তখন নিশ্চয়ই প্রমাণ করে যে দেশের মানুষের ভ্রমনের প্রতি আগ্রহ বেড়েছে।

এদিকে, ঈদকে ঘিরে প্রতিটি বিনোদন কেন্দ্রে ছিল আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর কঠোর নজরদারী। তাতেও বেশি খুশি ভ্রমন পিপাষুরা।

শেয়ারঃ

এই জাতীয় অন্যান্য সংবাদ
© সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত © ২০২৫ | দৈনিক কুমিল্লা    
Developed By UNIK BD