নাঙ্গলকোট (কুমিল্লা) প্রতিনিধি :
কুমিল্লার নাঙ্গলকোটের ঢালুয়া ইউনিয়নের পুঁটিজলা গ্রামে শুক্রবার সন্ধ্যায় সালিস বৈঠকে ওই গ্রামের খোকন মিয়া ও তার ভাড়াটিয়া সন্ত্রাসীদের ধারালো অস্ত্রের এলোপাতাড়ি আঘাতে ৭জন আহত হয়েছে। হামলার ঘটনায় অপর অভিযুক্তরা হলেন পুটিজলা গ্রামের শাহজাহান, মফিজুর রহমান, তজু মিয়া, ইলিয়াস ও খোকনের ভাড়াটিয়া সন্ত্রাসী পাশ্ববর্তী চৌদ্দগ্রাম উপজেলার ঝাটিয়ারখিল গ্রামের ৫০-৬০জন। সংঘর্ষের খবর পেয়ে নাঙ্গলকোট থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। হামলায় আহতরা হলেন পুঁটিজলা গ্রামের আব্দুল মান্নানের ছেলে রনি মজুমদার (২২), তার ভাই আনোয়ার হোসেন ভুট্টু (৪৫), বোন নূরুন নাহার টুনি (৫০), ভগ্নিপতি একই গ্রামের নাজির আহমেদ মজুমদারের ছেলে আব্দুর রাজ্জাক মজুমদার (৬০), রফিকুল ইসলাম মুজমদার (৫৫) ও রফিকের ছেলে রকি (৩০) ও ঢালুয়া ইউনিয়ন পরিষদ সাবেক মেম্বার আফাজ উদ্দিন কালাম (৫৬)। আহতদের নাঙ্গলকোট উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি ও চিকিৎসা দেয়া হয়েছে। আহতদের মধ্যে রনি মজুমদার অবস্থা আশংকাজনক হওয়ায় তাকে কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে প্রেরণ করা হয়েছে।
আহত আনোয়ার হোসেন ভুট্টু বলেন, আমার ভগ্নিপতি আব্দুর রাজ্জাক তার দখলিয় জমিতে মাছ ধরতে গেলে পুঁটিজলা গ্রামের ইলিয়াস ও শাহজাহান তাকে পিটিয়ে মাথা পাটিয়ে দেয়। এ ঘটনার বিষয়ে আমরা বাদি হলে শুক্রবার বিকেলে সালিস বৈঠক বসে। সালিসদারগণ মাগরিবের নামাজ পড়তে গেলে আনু মিয়ার ছেলে খোকনের নেতৃত্বে তার ভাড়াটিয়া ঝাটিয়ারখিল গ্রামের ৫০-৬০জন সন্ত্রাসী ধারালো অস্ত্রশস্ত্র নিয়ে আমাদেরকে কোপাতে থাকে। পরে পুলিশ এসে আমাদেরকে উদ্ধার করে হাসপাতালে ভর্তি করে। খোকন ও তার পরিবারের লোকেরা সবাই আওয়ামীলীগ করে তারা ঝটিয়ারখিল গ্রামের যে সকল সন্ত্রাসী নিয়ে এসেছে তারাও সবাই ছাত্রলীগের সন্ত্রাসী।
অভিযুক্ত খোকন মিয়া বলেন, আমাদের সাথে তাদের সালিস বৈঠক চলা অবস্থায় আমরা মাগরিবের নামাজ পড়তে যাই। এসময় সংঘর্ষ বেঁধে আমাদেরও কয়েকজন আহত হয়েছে, তাদের কয়জন আহত হয়েছে আমি জানি না।
নাঙ্গলকোট থানা অফিসার ইনচার্জ এ কে ফজলুল হক বলেন সংঘর্ষের খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পুলিশ প্রেরণ করা হয়েছে, এখন পরিবেশ শান্ত আছে। লিখিত অভিযোগ পেলে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।