আয়শা রহমান প্রজ্ঞা: দেবীদ্বার (কুমিল্লা) প্রতিনিধি।।
নিরাপদ ও বিষমুক্ত ফসল উৎপাদনে উত্তম কৃষি চর্চার বিকল্প নেই। গেপ অনুস্মরণ করে ফসল উৎপাদন করলে নিরাপদ খাদ্য উৎপাদনে যেমন আমরা লাভবান হই তেমনি কৃষিপণ্য রপ্তানির ক্ষেত্রেও বিদেশীদের আগ্রহ বাড়বে।
রোববার (২৪ মে) কষি অধিদপ্তরের উদ্যোগে দেবীদ্বার উপজেলা পরিষদ হলরোমে আয়োজিত “ পার্টনার প্রেগ্রাম”-এ আলোচকরা ওই বক্তব্য তুলে ধরেন।
আলোচকরা বলেন, কৃষিমন্ত্রনালয়ের পার্টনার প্রোগ্রাম একটি বৃহৎ উন্নয়ন প্রকল্প। এর মূল লক্ষ্য হলো বাংলাদেশের খোরপোশ কৃষিকে জলবায়ু-সহনশীল ও লাভজনক বাণিজ্যিক কৃষিতে রূপান্তর করা এবং নতুন কৃষি উদ্যোক্তা সৃষ্টি করা। বর্তমান সরকার এ প্রকল্পের আওতায় ৫ কোটি কৃষককে কৃষি কার্ডের অন্তৃভূক্ত করার পরিকল্পনা নিয়েছেন। বিশ্বের ১৪৫ টি দেশে আমাদের উৎপাদিত ১৭০ টি কৃষিপণ্য রপ্তানি করা হয়।
পার্টনার প্রকল্প বাংলাদেশের খোরপোশ কৃষিকে বাণিজ্যিক কৃষিতে রূপান্তর করার একটি সরকারি প্রকল্প। বিশ্বব্যাংক ও ইফাদের অর্থায়নে এটি বাস্তবায়িত হচ্ছে। প্রকল্পের মূল লক্ষ্য ফসলের বহুমুখীকরণ, নিরাপদ খাদ্য উৎপাদন এবং কৃষি উদ্যোক্তা তৈরির মাধ্যমে দেশের খাদ্য ও পুষ্টি নিরাপত্তা নিশ্চিত করা।
উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা কৃষিবিদ বানীন রায়ের সভাপতিত্বে এবং উপজেলা অতিরিক্ত কৃষি কর্মকর্তা কৃষিবিদ মো, শাহীন আলমের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানের উদ্বোধন সহ ৩চি পার্টনার কৃষি ষ্ট পরিদর্শন করেন অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা রাকিবুল ইসলাম, বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের প্রশিক্ষক মো.রেজাউল করিম ভূঁইয়া, অতিরিক্ত উপ-পরিচালক আল মাহমুদ রাসেল, আলোচনায় অংশ নেন, উপজেলা সিনিয়র মৎস্য কর্মকর্তা শুভ্রত গোস্বামী, সমবায় কর্মকর্তা মো. মাইনুদ্দিন হাসান, সমাজসেবা কর্মকর্তা মো. নোমানসহ হক, কৃষি সম্প্রসারণ কর্মকর্তা কৃষিবিদ মো. মাহমুদুল হাসান নাফি প্রমূখ।
উক্ত অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন, পার্টনার কৃষক ৩৫ জন, অন্যান্য কৃষক ৩৫ জন, এনজিও, সাংবাদিক, সুশীল সমাজ ও অন্যান্য্য ৩০ জনসহ ১০০ জন অংশগ্রহনকারী।
অনুষ্ঠান শেষে কৃষি স্কুল ও গেপ বাস্তবায়নে কৃতিত্বের অধিকারসহ ১১ জনকে সম্মাননা ক্রেষ্ট প্রদান করা হয়।